নিজস্ব প্রতিবেদক :নিষিদ্ধ ঘোষিত কুখ্যাত সন্ত্রাসী দূধর্ষ ছাত্রলীগ ক্যাডার হাসিবুল ইহসানের কয়েকজন কর্মীর কাছ থেকে জানা যায় তার সাথে সবসময় বিভিন্ন অস্ত্র থাকত। তাছাড়া স্থানীয় জনগনের ভাষ্যমতে এলাকার মানুষ কুলাঙ্গার ছাত্রলীগের সহ সভাপতি হাসিবুল ইহসানের কারনে এলাকায় সবসময় অরাজকতা চলতো। সে বিভিন্ন সময় এসে তাদের বিভিন্ন ধরনে হুমকি প্রদান করত। ও তাদেরকে মারধরের ভয় দেখাত বিভিন্ন অস্ত্র দেখিয়ে। এমনকি ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে পল্টন এলাকায় আওয়ামী ছাত্রলীগের যত ধরনের কার্যক্রম হয়েছে সবগুলো মূলত এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী হাসিবুল ইহসান এর নির্দেশনা মোতাবেকই অনেক অপরাধমূলক কর্মকান্ড হয়ে থাকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষুদ্ধ তৌহিদি জনতা তার অনেক কর্মীকে গনিিপটুনি দিয়ে হত্যা করে।
এসময় সময় যদি তাকেও পাওয়া যেত তাহলে গণপিটুনি দিয়ে হয়ত হত্যা করা হতো।এমনকি এখন ও তাকে পেলে হত্যার আশংকা রয়েছে।সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, চাঁদাবাজি এবং বিগত আন্দোলনের সময় ছাত্র জনতা ও সাধারণ মানুষের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পল্টন থানার সহ সভাপতি হাসিবুল ইহসান এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল রাতে থানায় স্থানীয় এক ভুক্তভোগী বাদী হয়ে এই মামলাটি করেন।
ঘটনার বিবরণ: মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পল্টন থানার সহ সভাপতি হাসিবুল ইহসান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের জমি দখল এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে আসছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গত বছরের আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে তিনি এলাকায় সশস্ত্র মহড়া দেন এবং আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করেন। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।
স্থানীয়দের বক্তব্য: এলাকার সাধারণ মানুষ জানান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পল্টন থানার সহ সভাপতি হাসিবুল ইহসান এবং তার সহযোগীদের নির্যাতনে তারা অতিষ্ঠ ছিলেন। একজন ভুক্তভোগী বলেন, রাজনীতির দাপটে তিনি এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। কেউ তার প্রতিতবাদ করলে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা করা হতো এবং পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হতো।
“পুলিশের বক্তব্য: এ বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “সন্ত্রাসবাদ এবং সাধারণ মানুষের ওপর হামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরত্বের সাথে তদন্ত করছি এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।”
বর্তমানে অভিযুক্ত ওই আওয়ামী লীগ কর্মীর বাড়িতে তালা ঝুলছে এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।