এই মামলাগুলো মূলত বাংলাদেশের দন্ডবিধির বিভিন্ন গুরুতর ধারায় রজু করা হয়েছে।বিবাদীদের থানায় কয়েকটি মামলায় আসামী করা হয়। প্রধান অপরাধ ও সাজা এই মামলার সবচেয়ে গুরুতর ধারাগুলো হলো আঘাত ও হত্যার চেষ্টা সংক্রান্ত ধারা ৩০৭(হত্যার চেষ্টা): যদি কেউ কাউকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করে, তবে তার ১০ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড। যদি এই আক্রমণে কেউ আহত হয়, তবে সাজা যাবজ্জীবন কারাদন্ড পর্যন্ত হতে পারে [১.৫.২, ১.৫.৩] ধারা ৩২৬(মারাত্মক অস্ত্র দিয়ে গুরুতর আঘাত): ধারালো বা বিপজ্জনক অস্ত্র দিয়ে কাউকে গুরুতর আহত করলে তার সাজা যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড। [১.৪.২] ধারা ৩২৫(গুরুতর আঘাত): ই”ছাকৃতভাবে হাড় ভাঙা বা শরীরের কোনো অঙ্গের গুরুতর ক্ষতি করলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড এবং [১.৩.১, ১.৭.১] দলবদ্ধ অপরাধ ও ষড়যন্ত্রের ধারা এই ধারাগুলো অপরাধে সরাসরি অংশগ্রহণ বা সহযোগিতার জন্য যুক্ত করা হয়: ধারা ১৪৩, ১৪৭, ১৪৮ ও ১৪৯(বেআইনি সমাবেশ ও দাঙ্গা): বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে দাঙ্গা করা বা অস্ত্রসহ সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য ৬ মাস থেকে ৩ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড হতে পারে [১.৬.২] ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, সমাবেশের কোনো সদস্য অপরাধ করলে দলের সবাই সমানভাবে দোষী সাব্যস্ত হতে পারেন [১.৬.৪] ধারা ১২০(খ) (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র): কোনো অপরাধ করার জন্য গোপন পরিকল্পনা বা ষড়যন্ত্র করলে মূল অপরাধের সাজার সমান বা নির্দিষ্ট মেয়াদে সাজা হয় [১.৬.৬] ধারা ১০৯ (প্ররোচনা): কেউ যদি অন্য কাউকে অপরাধ করতে সাহায্য বা উসকানি দেয়, তবে তাকেও মূল অপরাধীর সমান সাজা দেওয়া হয় [১.৬.৫] ধারা ৩৪(সাধারণ অভিপ্রায়): বেশ কয়েকজন মিলে একই উদ্দেশ্যে কোনো অপরাধ করলে প্রত্যেকেই সেই কাজের জন্য সমানভাবে দায়ী হবেন। তার নেতৃত্বাধীন পল্টন এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রম ঘটে ও ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই তার সহযোগীতায় কয়েকজন কর্মী ছাত্রদের উপর হামলা করে ঐই হামলায় সম্পূর্ণ নেতৃত্ব দেয় ছাত্রলীগ নেতা তৌহিদ আহমেদ তানিম। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিকুব্ধ ছাত্র জনতা তার নামে বিভিন্ন প্লেকার্ড ও পোস্টার টানিয়ে মিছিল করে ও তাকে হত্যার হুমকি দেয়। তার ঘনিষ্ট কয়েকজন কর্মীর কাছ থেকে জানা যায় তার সাথে সবসময় বিভিন্ন অস্ত্র থাকত। তাছাড়া স্থানীয় জনগনের ভাষ্য মতে জানা যায় এই এলাকার মানুষ কুলাঙ্গার ছাত্ কারনে তারা শান্তিমত এলাকায় বসবাস করতে পারে না। সে বিভিন্ন সময় এসে তাদের বিভিন্ন ধরনে হুমকি প্রদান করত। ও তাদেরকে মারধরের ভয় দেখাত বিভিন্ন অস্ত্র দেখিয়ে। এমনকি ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী ছাত্রলীগের যত ধরনের কার্যক্রম হয়েছে সবগুলো মূলত এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী তৌহিদ আহমেদ তানিম নির্দেশনা মোতাবেকই অনেক অপরাধমূলক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।