নিজস্ব প্রতিবেদক : ডেক্স রিপোর্ট : দৈনিক ঢাকার বাংলাদেশ : ভি-ক্টি-ম আসমা বলেন,আমরা ঘরের সন্তান,তাদের গোত্র বড়,তাই আমাদের কথা কেউ শুনছেন না,এখন আমরা কোথায় যাবো,কি করবো,বিচারের আশায় আমার মা বাবা দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
ভুক্তভোগী নারী বলেন আনুমানিক ৩টার দিকে আমি ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য বাইরে বের হয়েছিলাম। প্রতিবেশী ইয়ামিন আমার মুখ বেঁধে ফেলে এবং জোরপূর্বক একটি ঘরের ভেতরে নিয়ে যায়।সেখানে নিয়ে গিয়ে আমাকে ধ/র্ষ/ণ করে। পরে আমার গলায় ছু/রি ধরে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। এরপর আমার মুখ বেঁধে আমাকে ধ/র্ষ/ণ করা হয়। প্রায় পাঁচ মাস পর রবিবারে বিষয়টি প্রকাশ পায়। এতদিন আমি কিছু বলতে পারিনি, কারণ বাবা-মায়ের মে/রে ফেলার ভ/য় ছিল। ইয়ামিন বারবার এসে আমাকে ভ/য় দেখাত, জো’রপূ’র্বক ধরে নিয়ে যেত এবং ছু/রি দেখিয়ে বিয়ের কথা বলে আমাকে ধ/র্ষ/ণ করত। আমার জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে।
লোকলজ্জা ও ভয়ে আমি বিষয়টি প্রথমে পরিবারের কাছে গোপন রাখি একপর্যায়ে আমি অ-ন্তঃ-স-ত্ত্বা হয়ে পড়ি।ভুক্তভোগী আসমার মা বাবা ক্ষোভ ও কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তারা অত্যন্ত দরিদ্র মানুষ।অন্যদিকে অভিযুক্ত ইয়ামিনের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় সর্দার-মাতাব্বরদের কাছে গিয়েও কোনো বিচার পাননি প্রভাবশালীদের ভ/য়ে স্থানীয়রা বিচার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
অসহায় পরিবারটি এখন আইনি লড়াই চালাতে গিয়েও তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছে।এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চায় ভুক্তভোগী পরিবার। গরিব মানুষের জন্য আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নেই। এই ঘটনার পর আমরা সমাজে আর সম্মান নিয়ে দাঁড়াতে পারছি না। আমার সন্তানের ই’জ্জ’ত রক্ষা করতে পারিনি। কোথাও কোনো বিচার পাচ্ছি না। ঘটনার পর থেকে গর্ভের সন্তানের পিতৃপরিচয় এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে ভুক্তভোগী হতদরিদ্র পরিবারটি। ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামে।